ব্রেকিং:
সবাইকে নির্বাচনমুখী করতেই প্রস্তুতির নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর টিকা নিলেও স্বাস্থ্যবিধি মানতে হবে: সংসদে প্রধানমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্র যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী, জাতিসংঘে ভাষণ দেবেন ২৪ সেপ্টেম্বর টিকা নিলেও স্বাস্থ্যবিধি মানার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর সাহিত্য মানুষের মধ্যে গভীর রেখাপাত করতে পারে : প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধুর দূরদর্শী নেতৃত্বেই স্বাধীন হয় বাংলাদেশ: কম্বোডিয়ার প্রধানমন্ত্রী ২৫ মার্চ এক মিনিট অন্ধকারে থাকবে গোটা দেশ কক্সবাজারে হচ্ছে সুড়ঙ্গ সড়ক! শিক্ষাক্ষেত্রে রাজশাহীকে মিসিগান শহরের মতো সম্ভাবনাময় উল্লেখ করে বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত আর্ল রবার্ট মিলার ছোট উদ্যোক্তাদের জামানতবিহীন ঋণ দিতে ‘স্টার্ট-আপ ফান্ড’ গঠন বিশ্বের সবচেয়ে বড় অত্যাধুনিক ফ্লাওয়ার মিল চালু সিটি ইকোনমিক জোনে বুড়িগঙ্গার আদি চ্যানেল পুনরুদ্ধারে ডিএসসিসির মাস্টারপ্ল্যান স্বর্ণের দাম ভরিতে কমল ২০৪১ টাকা বিএনপির আন্দোলনের বিকল্প হচ্ছে আগুন সন্ত্রাস, অপরাজনীতি আর গুজব সৃষ্টি করা বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বৃত্তি পাচ্ছেন সাড়ে ১০ হাজার শিক্ষার্থী ৭ মার্চের ভাষণই স্বাধীনতার ঘোষণা: প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা ইতালির রাষ্ট্রপতির মুখে বাংলাদেশের সাফল্যের ভূয়সী প্রশংসা বান্দরবা‌নে ম্রোদের পাশে সবসময় আছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ফের পর্যালোচনা করা হবে:আইনমন্ত্রী স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর বছরেই:স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উত্তরণের সুপারিশ পেয়েছে বাংলাদেশ ১২সেপ্টেম্বর থেকে পর্যটনস্পট নিলগিরি জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করে দিবে কর্তৃপক্ষ। প্রতিশ্রুতি পূরণে আওয়ামী লীগ নেতাদের দায়িত্বশীল হতে হবে:শেখ হাসিনা শেখ হাসিনার সরকার মানুষকে শুধু স্বপ্ন দেখায় না,স্বপ্নকে বাস্তবায়ন:বীর বাহাদুর ইউএনও ওয়াহিদার সর্বোচ্চ চিকিৎসার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর আগস্টেও চমক রপ্তানি আয়ে ২০ পণ্যে ইতিবাচক প্রবৃদ্ধি সমন্বিতভাবে কাজ করায় এ বছর ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে : এলজিআরডি মন্ত্রী সব ভূমিসেবা এক ছাদের নিচে আসছে শহরেও বাড়ছে সৌর বিদ্যুতের ব্যবহার করোনার মধ্যেও দ্রুত ঘুরে দাঁড়াতে সক্ষম হবো :অর্থমন্ত্রী সৌদিতে প্রবেশের অনুমতি পেল বাংলাদেশসহ ২৫ দেশ অপরাধী যেই হোক, আইনের আওতায় আনা হবে: কাদের চীনের চেয়েও বাংলাদেশের ব্রডব্যান্ড গতিশীল! বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটের নেটওয়ার্কে আসছে সাগরে মাছ
  • শুক্রবার   ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২১ ||

  • আশ্বিন ২ ১৪২৮

  • || ০৮ সফর ১৪৪৩

দৈনিক বান্দরবান
সর্বশেষ:
সবাইকে নির্বাচনমুখী করতেই প্রস্তুতির নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর টিকা নিলেও স্বাস্থ্যবিধি মানতে হবে: সংসদে প্রধানমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্র যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী, জাতিসংঘে ভাষণ দেবেন ২৪ সেপ্টেম্বর টিকা নিলেও স্বাস্থ্যবিধি মানার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর সাহিত্য মানুষের মধ্যে গভীর রেখাপাত করতে পারে : প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধুর দূরদর্শী নেতৃত্বেই স্বাধীন হয় বাংলাদেশ: কম্বোডিয়ার প্রধানমন্ত্রী ২৫ মার্চ এক মিনিট অন্ধকারে থাকবে গোটা দেশ কক্সবাজারে হচ্ছে সুড়ঙ্গ সড়ক! শিক্ষাক্ষেত্রে রাজশাহীকে মিসিগান শহরের মতো সম্ভাবনাময় উল্লেখ করে বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত আর্ল রবার্ট মিলার ছোট উদ্যোক্তাদের জামানতবিহীন ঋণ দিতে ‘স্টার্ট-আপ ফান্ড’ গঠন বিশ্বের সবচেয়ে বড় অত্যাধুনিক ফ্লাওয়ার মিল চালু সিটি ইকোনমিক জোনে বুড়িগঙ্গার আদি চ্যানেল পুনরুদ্ধারে ডিএসসিসির মাস্টারপ্ল্যান স্বর্ণের দাম ভরিতে কমল ২০৪১ টাকা বিএনপির আন্দোলনের বিকল্প হচ্ছে আগুন সন্ত্রাস, অপরাজনীতি আর গুজব সৃষ্টি করা বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বৃত্তি পাচ্ছেন সাড়ে ১০ হাজার শিক্ষার্থী ৭ মার্চের ভাষণই স্বাধীনতার ঘোষণা: প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা ধারাবাহিক সরকার গঠন করে মানুষের ভাগ্যোন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছি:প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ইতালির রাষ্ট্রপতির মুখে বাংলাদেশের সাফল্যের ভূয়সী প্রশংসা বান্দরবা‌নে ম্রোদের পাশে সবসময় আছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ফের পর্যালোচনা করা হবে:আইনমন্ত্রী স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর বছরেই:স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উত্তরণের সুপারিশ পেয়েছে বাংলাদেশ ১৭০ বছর পরে ফিরে আসলো বাঙ্গালীর সোনালী ঐতিহ্য মসলিন সমালোচনার পাশাপাশি ভালো কাজের স্বীকৃতি দিন: এলজিআরডিমন্ত্রী পদ্মা সেতুতে হবে চারটি স্মৃতিস্তম্ভ বান্দরবান পার্বত্য জেলায় হচ্ছে স্মাট ভিলেজ করোনা সঙ্কট কাটিয়ে সমৃদ্ধ বাংলাদেশ নির্মাণের আশা নৌপথে জাপান থেকে দিয়াবাড়ী আসবে মেট্রোরেল

বঙ্গবন্ধুর কন্যা ছাড়া আমার তো জীবনীর আর কি আছে? - শেখ রেহানা

দৈনিক বান্দরবান

প্রকাশিত: ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২১  

 

একটি ফল, খাদ্যপ্রাণসমৃদ্ধ মৌমাত-করা ঘ্রাণযুক্ত ফল। আরবি শব্দ ‘রেহানা’র অর্থ এরকমই। শেখ রেহানা, তাঁর একটি পরিচয়ই যথেষ্ট ছিল, তিনি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেক মুজিবুর রহমানের ছোট মেয়ে। হয়তো এই পরিচয়েই নিভৃতে নিস্তরঙ্গভাবে আনন্দে-সুখে সারাটা জীবন পার করতেন, যদি পঁচাত্তরের নির্মম-নৃশংস ঘটনা না ঘটত। সেই ১৫ আগস্ট চিরদিনের জন্যে উলটেপালটে দিয়েছিল তাঁর ও তাঁর আপা শেখ হাসিনার জীবন। সে এক মহাবৈরী সময়।

পিতার হত্যার পর রাজনৈতিক আশ্রয়ে লন্ডনেই বসবাস শুরু করেন শেখ রেহানা। অতীব কষ্টে কালাতিপাত করেছেন, যদিও তাঁর সম্পর্কে রটনা কম নয়। সাদাসিধে ছোট একটি আড়ম্বরহীন ফ্লাটে বসবাস করেন; বাসে, টিউবে-রেলেই চলাফেরা করেন, পার্টটাইম চাকরি করেন। তিন সন্তান-রেদওয়ান সিদ্দক ববি, টিউলিপ সিদ্দিক ও আজমিনা সিদ্দিক রুপন্তী। টিউলিপ সিদ্দিক কাউন্সিলার নির্বাচিত হয়েছেন লন্ডনের ক্যামডেন কাউন্সিলের লেবার পার্টির পক্ষ থেকে। বর্তমানে তিনি পার্লামেন্টারি সিলেক্ট কমিটির সদস্য।

১৩ সেপ্টেম্বর, ১৯৫৫ সালে জন্ম নেওয়া বঙ্গবন্ধুর এই নিভৃতচারী কনিষ্ঠা কন্যার জীবন সংগ্রামের টুকরো টুকরো ঘটনা উঠে এসেছে এই আলাপচারিতায়। জীবন-ঘনিষ্ট একান্ত সাক্ষাৎকারটি গ্রহণ করেছেন পাক্ষিক অনন্যার সম্পাদক ও প্রকাশক এবং

দৈনিক ইত্তেফাকের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক তাসমিমা হোসেন-

তাসমিমা হোসেন : তোমার মেয়ে টিউলিপ ব্রিটিশ রাজনীতির সাথে যুক্ত হয়েছে- তুমি কি চেয়েছিলে যে তোমার মেয়ে পলিটিকসে আসুক? তুমি কি চেয়েছিল যে, বন্ধবন্ধুর নাতনি হিসেবে, বাংলাদেশে না হোক, যেদেশেই থাকুক না কেন- রাজনীতিতে যুক্ত হোক?

শেখ রেহানা : আমার ছেলেমেয়ে পলিটিকসে যাক-তা আমি কখনই চাইনি। এত ভালো স্টুডেন্ট, পড়াশোনায় এত ভালো- নাটক করে, পিয়ানো বাজায়, আমি সব সময় ভাবতাম- ও উন্নতি করবেই। কিন্তু পলিটিকসে কোনোদিন জড়াবে নিজেকে – এটা ভাবিনি।

তাসমিমা হোসেন : তুমি স্থায়ীভাবে ব্রিটেনে বসবাস শুরু করলে- এটা কি বাচ্চাদের নিরাপত্তার জন্য, নাকি পড়ালেখার জন্য?

শেখ রেহানা : কিছুটা পারিবারিক, কিছুটা বাচ্চাদের লেখাপড়ার জন্য। ওরা ওই দেশের (ব্রিটেনের) নাগরিক। ওখানে পড়াশোনার এত সুযোগ-সুবিধা! মানুষ জমি- বাড়িঘর বিক্রি করে ছেলেমেয়েকে বিদেশে পড়াশোনা করতে পাঠায়। আমি ভাবলাম, এই সুযোগ থেকে ওদের বঞ্চিত করব কেন? আমি নিজে থেকেও টাকা-পয়সার কারণে পড়াশোনার সুযোগ পাইনি- ওটাও একটা কারণ। আর, নিরাপত্তা তো ছিলই। কারণ এখানে ( বাংলাদেশে) নানারকমের হুমকি-টুমকি পেতাম। সেজন্য ভাবলাম ওদের ওখানেই পড়াই।

তাসমিমা হোসেন : আজকাল যাদের সামর্থ আছে তারা বাচ্চাদের ইংলিশ মিডিয়ামে পড়ায়।তাদের বাচ্চারা বাংলাটা ভিন্নরকম অ্যাকসেন্টে বলে। তোমার বাচ্চাদের সাথে কথা বললে মনে হয়,্এই সমস্যাটা তাদের নেই।

শেখ রেহানা: ওদের সাথে আমার প্রথম কথাই ছিল- তোমরা বাড়িতে বাংলা বলবে। বাংলা পড়তে হবে। কারণ তোমরা বঙ্গবন্ধুর নাতি। আমার সঙ্গে গ্রামগঞ্জে যেতে হবে। সেখানে আত্মীয়-স্বজন সবাই ইংরেজি পারে না – একটা দূরত্ব তৈরি হয়ে যাবে। তো, তারা অন্য বন্ধুদের সঙ্গে ইংরেজিতে কথা বলত, কিন্তু বাড়িতে বলত বাংলা। কোনো একসেন্ট দিয়ে ওরা বাংলা বলে না। স্পষ্ট বাংলা বলে। বাসায় ওদের আমি প্রচুর বাংলা বই পড়াতাম। প্রথম ভাষাটাই ওরা বাংলা শিখে।

তাসমিমা হোসেন : যখন তুমি ওদের বাংলা বই পড়াতে সেখানে নিশ্চয়ই রবীন্দ্রনাথ, নজরুল আর আমাদের মুক্তি সংগ্রামের বইও থাকত?

শেখ রেহানা: হ্যা, নজরুল-রবীন্দ্রনাথ আর নেতাজী সুভাষের বই বেশি পড়াতাম। কবিতা পড়াতাম। জীবনানন্দ দাশ ও সুকান্তের কবিতা পড়াতাম। বেগম রোকেয়ার বই আমি পড়ে পড়ে শোনাতাম। টিউলিপের মাস্টার্সের যে ডিসার্টেশন- সেটা রবীন্দ্রনাথের উপরে লেখা। যদিও সেটা ইংরেজিতে। রবীন্দ্রনাথের ‘নষ্টনীড়’ পড়ে আমার মেয়ে পাগল হয়েগিয়েছিল। আমি বাংলায় পড়তাম। ও সেটা ইংরেজি করত। এবং টিউলিপের যখন বিয়ে হয়- রেজিস্ট্রেশনের সময় প্রধানমন্ত্রীকে দিয়ে আমি ‘আলো আমার আলো’ কবিতাটি পড়াই।

তাসমিমা হোসেন : আমরা যতদূর জানি, বঙ্গবন্ধু কবিতা আবৃত্তি করতেন। সাহিত্য, সংস্কৃতির প্রতি বঙ্গবন্ধুর গভীর আগ্রহ ছিল। সাহিত্যের প্রতি এই ভালবাসা তুমি কি বাবার কাছ থেকে পেয়েছ? নাকি মায়ের কাছ থেকে? কিংবা দুজনেরই প্রভাব রয়েছে?

শেখ রেহানা : মা প্রচুর বই পড়তেন। আর আব্বার কাছ থেকে তো অবশ্যই। আমি তো এ্যাডভান্স বাংলার ছাত্রী ছিলাম কলেজে। আপনি জানেন না বোধহয়, ছোটবেলায় ইত্তেফাকের কচিকাঁচার আসরেরও সদস্য ছিলাম। মাঝে মধ্যে একটা- দুইটা লেখাও ছাপা হত।

তাসমিমা হোসেন : বেবী মওদুদ যখন বেঁচে ছিলেন তোমার একটা-দুইটা লেখা আমরা দেখতে পেতাম। তোমার নিশ্চয়ই লিখতে ইচ্ছে করে, এত কম লেখা দেখতে পাই কেন?

শেখ রেহানা : হ্যা, আমি লিখি কিন্তু ছাপানোর ইচ্ছেটা কম।

তাসমিমা হোসেন : তোমার আত্মজীবনী লিখতে ইচ্ছে করে না?

শেখ রেহানা : বঙ্গবন্ধুর কন্যা ছাড়া আমার তো জীবনীর আর কি আছে?

তাসমিমা হোসেন : কিন্তু তোমার দেখা পরিবারের যে ঘটনাগুলো- সেটাতো আমাদের ইতিহাস। এর একটা বিরাট মূল্য আছে। সেই দিক থেকে তোমার আত্মজীবনীও অনেক গুরুত্বপূর্ণ।

শেখ রেহানা : ‘অনেক ঘটনা আমি অল্প – অল্প করে লিখে রাখি। আর বেবী (মওদুদ) আপা জোর করে বসে থেকে লিখিয়ে নিত। বলত, আমি উঠব না। আর, অনেক সময় ঘটনা যখন দেখি মানুষ পেপারে মিথ্যা কথা লেখে, তখন আপাকে (শেখ হাসিনা) বলি- ‘আপা, এটাতো ডাহা মিথ্যা কথা।’ উনি বলেন, ‘ তুমি লিখো না কেন?’ আমি তখন লিখে রাখি- ঘটনা এটা না, ওটা। আমি তখন ছোট হলেও অনেক ঘটনার স্বাক্ষী। আর বঙ্গবন্ধুর কোনো গুণ না পেলেও স্মরণশক্তিটা এই বয়সে এসেও আল্লাহর রহমে খুব ভাল আছে। একবার যেটা দেখি বা শুনি সেটা আর ভুলি না। কিন্তু অনেক জিনিস চোখের দেখা- এখন মনে পড়ে- ঐ যে সাতই মার্চের ভাষণ- আমি, আপা, দুলাভাই, আমরা তো সামনে দাঁড়ানো ছিলাম। আব্বাতো কখনো ‘জয় পাকিস্তান’ বলে নাই। আব্বা নেমে যাওয়ার পরে আমরা বের হয়ে শহীদ মিনারের কাছে চলে আসলাম। স্পষ্ট মনে আছে। মানুষ যখন এই কথাগুলো বলে, সবাই না, কিছু লোক, তখন মনে হয় এই লোক এমন মিথ্যা কেন বলে? আব্বা বেঁচে নেই। যেই লোকটা বেঁচে নেই তার সম্পর্কে কেন মিথ্যা কথা বলছে? আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার সময়- ছোট হলেও দেখতাম, কিভাবে কি ঘটনা ঘটছে, জানতাম দাঁড়ি। অনেক সময় মা আলোচনা করতেন। তারপর ৬ দফার সময় খুব ছোট ছিলাম। বাড়িতে তো একটা রাজনৈতিক পরিবেশ ছিল। তারপর তাজউদ্দিন চাচাকে নিয়ে কত ধরনের কথা, সত্য- মিথ্যা মিশিয়ে। আব্বা ও তাজউদ্দিন চাচার মধ্যে যে একটা সম্পর্ক ছিল যেই যাই লিখুক, তাদের সম্পর্ক আপন ভাইয়ের চেয়েও বেশি ছিল। আব্বা জেলে কেন- এই প্রশ্নটা মনে আসত। দেশের জন্য, মানুষের জন্য কাজ করে, মানুষকে ভালবেসে- মায়ের মুখে দাদির মুখে শুনতাম। শুনতাম, কিন্তু মুখ বন্ধ রাখতে হবে। কারণ বাড়ির সামনে সবসময় আইবি’র লোক।’ (চলবে)

দৈনিক বান্দরবান
দৈনিক বান্দরবান