ব্রেকিং:
১২সেপ্টেম্বর থেকে পর্যটনস্পট নিলগিরি জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করে দিবে কর্তৃপক্ষ। প্রতিশ্রুতি পূরণে আওয়ামী লীগ নেতাদের দায়িত্বশীল হতে হবে:শেখ হাসিনা শেখ হাসিনার সরকার মানুষকে শুধু স্বপ্ন দেখায় না,স্বপ্নকে বাস্তবায়ন:বীর বাহাদুর ইউএনও ওয়াহিদার সর্বোচ্চ চিকিৎসার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর আগস্টেও চমক রপ্তানি আয়ে ২০ পণ্যে ইতিবাচক প্রবৃদ্ধি সমন্বিতভাবে কাজ করায় এ বছর ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে : এলজিআরডি মন্ত্রী করোনার প্রভাবে দেশে খাদ্য সংকট হবে না : কৃষিমন্ত্রী সব ভূমিসেবা এক ছাদের নিচে আসছে শহরেও বাড়ছে সৌর বিদ্যুতের ব্যবহার করোনার মধ্যেও দ্রুত ঘুরে দাঁড়াতে সক্ষম হবো :অর্থমন্ত্রী সৌদিতে প্রবেশের অনুমতি পেল বাংলাদেশসহ ২৫ দেশ অপরাধী যেই হোক, আইনের আওতায় আনা হবে: কাদের হামলাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক বিচার করা হবে : নৌ প্রতিমন্ত্রী চীনের চেয়েও বাংলাদেশের ব্রডব্যান্ড গতিশীল! বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটের নেটওয়ার্কে আসছে সাগরে মাছ
  • মঙ্গলবার   ০১ ডিসেম্বর ২০২০ ||

  • অগ্রহায়ণ ১৭ ১৪২৭

  • || ১৪ রবিউস সানি ১৪৪২

দৈনিক বান্দরবান
সর্বশেষ:
বান্দরবানে তহজিংডং এর কর্মশালা অনুষ্ঠিত বান্দরবান বন বিভাগের উদ্যোগে বি‌ভিন্ন শিক্ষা প্র‌তিষ্ঠা‌নে চারা বিতরণ সব দেশের সঙ্গে বাংলাদেশও ভ্যাকসিন পাবে শিক্ষার্থীদের অটো প্রমোশনের ইঙ্গিত দিলেন প্রধানমন্ত্রী ২১ শে আগস্ট ও বিএনপির ঐতিহাসিক বিচারহীনতার চরিত্র জরিপ অধিদপ্তরে `বঙ্গবন্ধু কর্নার` দেশে চীনের করোনা ভ্যাকসিন ট্রায়ালের অনুমতি দিল সরকার ডাইনামিক নেতৃত্ব দিয়ে চলেছেন শেখ হাসিনা মোশতাক-জিয়া চক্র জাতির বিবেককে কারারুদ্ধ করে রেখেছিল ॥ কাদের প্রধানমন্ত্রীর ৩১ উপজেলায় শতভাগ বিদ্যুতায়ন আজ বাংলাদেশের সঙ্গে বাণিজ্য বৃদ্ধির আগ্রহ যুক্তরাষ্ট্রের কুশীলবদের চিহ্নিত করতে কমিশন হচ্ছে প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রনীতিতেই রোহিঙ্গারা ফিরে যাবে সংশোধন হচ্ছে জাতীয় শিক্ষানীতি কাজ করছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও গ্যাভি, বাংলাদেশ তিন কোটি ৪০ লাখ ভ্যাকসিন পাবে যুদ্ধবিধ্বস্ত স্বাধীন দেশের শিক্ষাব্যবস্থায় এক শিল্পীর ছোঁয়া ছয় দফা ছিল বঙ্গবন্ধুর একান্ত চিন্তার ফসল খুনিদের আশ্রয়-প্রশ্রয় দেওয়ায় বেগম জিয়াও অপরাধী : তথ্যমন্ত্রী বঙ্গবন্ধুর আদর্শের পথ ধরেই দেশকে এগিয়ে নিতে চাই : প্রধানমন্ত্রী খালেদা নয়, তারেকের অবসর চায় বিএনপি মিয়ানমারের কূটনীতিককে কড়া জবাব দিলো বাংলাদেশ দেড় হাজার সাংবাদিক ১০ হাজার টাকা করে অনুদান পাবেন: তথ্যমন্ত্রী সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য টেলিমেডিসিন সেবা চালু সারাদেশে ৮ হাজার শেখ রাসেল কম্পিউটার ল্যাব গড়ে তোলা হয়েছে:পলক রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আইসোলেশন ও ট্রিটমেন্ট সেন্টার চালু জুলাইয়ে চীনের করোনার টিকার তৃতীয় পর্যায়ের পরীক্ষা বাংলাদেশে হতে পারে শীর্ষেন্দুকে আশ্বস্ত করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী ‘স্বপ্ন সত্যি হলে এর চেয়ে আনন্দ আর কী’ যুক্তরাষ্ট্রের ‘গ্রেট প্লেস অ্যাওয়ার্ড’ পেল হাতিরঝিল প্রকল্প লন্ডনে বঙ্গবন্ধুর ৭ মাচের্র ঐতিহাসিক ভাষণ তিনটি ভাষায় অনুবাদের উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ হাই কমিশন। ভাষা তিনটি হচ্ছে—ওয়েলস, স্কটিশ ও আইরিশ। হাইকমিশনের পক্ষ থেকে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে মঙ্গলবার (১০ মার্চ) এ কথা জানানো হয়। বঙ্গবন্ধু জাতীয় ফুটবল চ্যাম্পিয়নশীপে বান্দরবান-নোয়াখালীর ম্যাচ ড্র নিজের ইচ্ছেমতো আর নয়, চিকিৎসকদের রোগী দেখার ফি নির্ধারণ করে দেবে সরকার........স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক আকাশ থেকে পদ্মাসেতুর ছবি তুললেন প্রধানমন্ত্রী পাহাড়ে সন্ত্রাস চাঁদাবাজি বন্ধে জিরো টলারেন্স দেখানো হবে:পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং এমপি বীর বাহাদুরের আর্দশে অনুপ্রাণিত হয়ে বিএনপি ছেড়ে আওয়ামীলীগে যোগ দিল সোনাইছড়ির অর্ধ শতাধিক বিএনপি নেতাকর্মী বান্দরবানে গাছ কাটতে গিয়ে বিদ্যুতের তারে জড়িয়ে একজনের মৃত্যু: বান্দরবানে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান গোল্ডকাপ প্রাথমিক বিদ্যালয় ফুটবল টুর্ণামেন্ট ১৮ এবং বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেসা মুজিব গোল্ডকাপ প্রাথমিক বিদ্যালয় ফুটবল টুর্ণামেন্ট প্রতিযোগিতার সমাপনী পার্বত্য জেলা বান্দরবান ৩০০ নং আসনে ৩ জন এমপি প্রার্থী আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৬ষ্ঠ বারের মত বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের মনোনীত সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী বীর বাহাদুর উশৈসিং কে পুনরায় নির্বাচিত করে উন্নয়নের ধারাবাহিকতা অব্যাহত রাখার লক্ষ্যে বান্দরবান শহর শাখার ৪নং ওয়ার্ড পশ্চিম শাখা স্বেচ্ছাসেবক লীগ এর আয়োজনে বিশাল কর্মী সমাবেশ অনুষ্ঠিত শেখ হাসিনার সকারের সফলতায় বান্দরবানের রুমাতে পৌঁছে গেল নতুন বছরের নতুন বই বান্দরবানে নির্বাচনে মহাজোটেরমধ্যে আ:লীগ’র প্রার্থী থাকলে ও নেই জাপা আপীলে বৈধতা পেলেন বান্দরবানের বিএনপির মাম্যাচিং পার্বত্য এলাকার উন্নয়ন, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও পাহাড়ের স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য নৌকা প্রতীকে ভোট দিতে হবে.............. বীর বাহাদুর উশৈসিং
১৬৪

প্রতিবন্ধকতা না এলে ডিসেম্বরেই মিলবে দেশের করোনা ভ্যাকসিন

দৈনিক বান্দরবান

প্রকাশিত: ৪ জুলাই ২০২০  

মহামারি করোনা ভাইরাস মোকাবিলায় বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সঙ্গে তাল মিলিয়ে বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো ভ্যাকসিন আবিষ্কারে গ্লোব বায়োটেকের দাবি দেশজুড়ে প্রশংসা কুড়াচ্ছে। এরইমধ্যে বড় কোনো ধরনের প্রতিবন্ধকতার শিকার না হলে ট্রায়াল শেষে আগামী ডিসেম্বরেই এই ভ্যাকসিন বাজারে আনতে পারবেন বলে আশা প্রকাশ করেছেন প্রতিষ্ঠানটির রিসার্স অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট ডিপার্টমেন্টের প্রধান ড. আসিফ মাহমুদ।

 

শুক্রবার (০৩ জুলাই) বাংলানিউজের সঙ্গে করোনা ভাইরাস ভ্যাকসিন আবিষ্কার বিষয়ক দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এ দাবি করেন। ভ্যাকসিনটির প্রাথমিক পর্যায়ের ট্রায়াল, অগ্রগতি, বাজারে আসতে কতদিন লাগতে পারে, সামনে কী কী কাজ হবে, আরও কয় ধাপ পেরোতে হবে, কার্যকারিতা কেমন হতে পারে, এমনকি ডেলিভারি মেকানিজম কীভাবে হতে পারে, এ সংক্রান্ত সার্বিক বিষয় উঠে এসেছে সাক্ষাৎকারেটিতে। বাংলানিউজের পাঠকদের জন্য সাক্ষাৎকারটির গুরুত্বপূর্ণ অংশগুলো তুলে ধরা হলো:

আপনাদের ভ্যাকসিন এখন কোন পর্যায়ে, সামনে আর কয় ধাপ বাকি পরীক্ষা-নিরিক্ষার জন্য?

 

ড. আসিফ মাহমুদ: ভ্যাকসিনটি প্রাথমিক পর্যায়ে আমরা পাঁচটি খরগোশের ওপরে ট্রায়াল করি। আমরা যেহেতু তিনটা ভ্যাকসিন ক্যান্ডিডেট নিয়ে কাজ করছি, সে কারণে তিনটা ক্যান্ডিডেট আমরা তিনটি খরগোশের শরীরে প্রয়োগ করি। এরপর একটা খরগোশ কন্ট্রোলড থাকে, যেটাতে আমরা কোনো ভ্যাকসিন প্রয়োগ করিনি। আরেকটি খরগোশের শরীরে আমরা প্লাসিবো দিই, সেখানে ভ্যাকসিনের অ্যাক্টিভ ম্যাটারিয়াল ছিল না, শুধু ফর্মুলেশন বাফার দেওয়া হয়। কন্ট্রোলে যেটা ছিল, সেটাতে কোনো কিছুই ইনজেক্ট করা হয়নি। আর যে খরগোশটিকে প্লাসিবো দেওয়া হয়, সেটি নরমাল ছিল। এরপর ১৪তম দিনে আমাদের ভ্যাকসিন প্রয়োগ করা তিনটি খরগোশের শরীর থেকে রক্ত সংগ্রহ করি। রক্ত থেকে সিরাম আলাদা করে আমরা দেখতে পাই তিনটি খরগোশের শরীরেই যথেষ্ট পরিমাণে অ্যান্টিবডি তৈরি হয়েছে।

আমরা মোট চারটি ক্যান্ডিডেট এবং তিনটি ডিফারেন্ট ডেলিভারি মেকানিজম নিয়ে কাজ করছি।‌ আমাদের বর্তমান ট্রায়ালে তিনটি টার্গেট। একটি ডেলিভারি মেকানিজম নিয়ে। আমরা আরও ব্যাপকভাবে এনিমেলের ওপর ট্রায়াল করব। সেখানে আরও নয়টি ক্যান্ডিডেটের ট্রায়াল হবে। সার্বিক ফলাফল পর্যালোচনা করে যে ক্যান্ডিডেটের রেজাল্ট বেশি সুইটেবল হবে, আমরা সেটা নিয়েই হিউম্যান ট্রায়ালে যাব।

 এ বিষয়ে আপনারা কতটুকু আত্মবিশ্বাসী?

ড. আসিফ মাহমুদ: আমি প্রথমেই বলেছি, আমরা একটি বায়ো ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানি। বায়ো ফার্মাসিটিক্যাল কোম্পানি হিসেবে বায়োলজিকস প্রডাক্ট বিষয়ে কাজের অভিজ্ঞতা আমাদের আছে। সেই অভিজ্ঞতা আমরা এখানে পুরোপুরি কাজে লাগিয়েছি। বায়োলজিকস প্রডাক্ট কোয়ালিটি অত্যন্ত কঠিনভাবে মেইনটেইন করতে হয়। আমরা করোনা ভাইরাসের ভ্যাকসিন তৈরি করতে গিয়েও সেই কোয়ালিটি ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম ব্যবহার করেছি। টোটাল প্রসেসিং কোয়ালিফাইড করেই আমাদের ফাইনাল ফর্মুলেশন প্রোডাক্টটা তৈরি করতে পেরেছি। সে কারণে আমরা ইনিশিয়াল ট্রায়ালে কোনো ধরনের টক্সিসিটি পাইনি। সুতরাং আমরা বলতে পারি এটা মানুষের শরীরেও কোনো ধরনের টক্সিসিটি তৈরি করবে না। এখন মূল কথা, মানুষের শরীরে করোনা ভাইরাসের বিরুদ্ধে অ্যান্টিবডি তৈরি করতে পারবে কি-না, সেটা শরীরে প্রয়োগ করলেই জানা সম্ভব। আমাদের আত্মবিশ্বাসের জায়গাটা হচ্ছে, বিশ্ববিখ্যাত যত ভ্যাকসিন কোম্পানির নাম শুনবেন, যেমন আমেরিকার মর্ডানা, তারা একটিমাত্র ক্যান্ডিডেট এবং একটি ডেলিভারি সিস্টেম নিয়ে কাজ করছে। কিংবা যুক্তরাজ্যের ড. সারাহ গিলবার্ট টিমের কথা শুনবেন, তারাও ভাইরাল ফ্যাক্টর ভ্যাকসিন নিয়ে কাজ করছে। তবে আমরা একইসঙ্গে ১২টি ক্যান্ডিডেট নিয়ে কাজ করছি। তাই আমাদের টিকার সফলতার হার নিয়ে আমরা গভীর আত্মবিশ্বাসী।

ভ্যাকসিন উন্নয়নে আপনারা কতজন গবেষক কাজ করছেন?

ড. আসিফ মাহমুদ: করোনা ভাইরাসের ভ্যাকসিন প্রজেক্টটা তৈরি করেছি বায়োটেক লিমিটেডের পক্ষ থেকে। এটা একটা বায়ো ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানি। আমরা বায়োলজিকস ড্রাগ তৈরি করি। কিন্ত গত ০৮ মার্চ যখন দেশে প্রথম করোনা আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়, তখন আমরা দৃষ্টি দিই কোভিড-১৯ রোগের দিকে। আমরা একসঙ্গে তিনটা প্রজেক্ট নিয়ে কাজ শুরু করি। রিসার্স এবং ডেভেলপমেন্ট টিমের নেতৃতে আমি রয়েছি। আর আমাদের ওভারঅল সবগুলো প্রোজেক্টের প্ল্যানিং এবং তত্ত্বাবধান করেন গ্লোব বায়োটেক লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ও গবেষক দলের প্রধান ড. কাকন নাগ এবং প্রতিষ্ঠানের সিওও ড. নাজনীন সুলতানা। এছাড়াও আমাদের কোম্পানির আরও অনেকেই বিভিন্ন পর্যায়ে কাজ করেছেন। এবং করছেন।

ওই ভ্যাকসিন সফল হলে দাম কেমন হবে, গরিবের সক্ষমতার মধ্যে থাকবে কি-না?

ড. আসিফ মাহমুদ: দামের বিষয়টি নিয়ে আসলে এখনই এভাবে মন্তব্য করা ঠিক হবে না। তবে আমার যেটা মনে হয়, যেহেতু এই টিকা বাংলাদেশে তৈরি করতে পারব, তাই দাম বিদেশ থেকে আনা ওষুধের চেয়ে অবশ্যই অনেক কম হবে। তবে সার্বিক খরচটা নির্ভর করছে হিউম্যান ট্রায়ালের ওপরে। কারণ আপনারা জানেন ফেস-১, ফেস-টু, ফেস-৩ সহ আরও বিভিন্ন ধাপে এই কাজগুলো সম্পন্ন করতে হয়। যেহেতু একটা থার্ডপার্টি দিয়ে সিআরও করাতে হয়, তাদের খরচ কেমন, সার্বিকভাবে সবকিছু বিবেচনা করে একটি ড্রাগের মূল্য নির্ধারণ করা হয়। তবে আমরা বাংলাদেশে করোনা ভাইরাসের ভ্যাকসিন তৈরি করেছি একটা উদ্দেশ্য নিয়েই, যেন বাংলাদেশের ১৬ কোটি মানুষকে ভ্যাকসিনটা দিতে পারি। সুতরাং সাধারণ মানুষের কেনার সক্ষমতার মধ্যে দাম থাকবে বলে আশা করছি।

বিশ্বের বিখ্যাত সব বিজ্ঞানী করোনা ভাইরাস ভ্যাকসিন আবিষ্কারের বিষয়ে কাজ করছেন, সেখানে আমাদের দেশের একটি প্রতিষ্ঠান প্রথমবারের মতো ভ্যাকসিন আবিষ্কারের দাবি করছে, এটা অবশ্যই আশা জাগানিয়া। তবে বিষয়টি আপনি কীভাবে মূল্যায়ন করবেন?

ড. আসিফ মাহমুদ: আমরা গতকাল প্রেস কনফারেন্সে সবকিছু বিস্তারিতভাবে বোঝানোর চেষ্টা করেছি। এরপরও কিছু সীমাবদ্ধতা এবং গোপনীয়তার কারণে আমরা সব ডাটা তুলে ধরতে পারিনি। আমাদের সব ডাটা এখনই প্রকাশ করা সম্ভব নয়। সে কারণে আবার কেউ যেন মনে না করেন আমাদের ভ্যাকসিন তৈরির সক্ষমতা নেই। আমরা বায়োলজিকস প্রোডাক্ট ২০১৬ সাল থেকে তৈরি করে আসছি। ছয়টা বায়োলজিকস প্রোডাক্টস ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের প্রটোকল আমরা বিএমআরসিতে ইতোমধ্যে জমা দিয়েছি। তারা অনুমতি দিলে সিআরও দিয়ে আমরা ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল শুরু করব। এই প্রক্রিয়াটির সঙ্গে আমরা ভালোভাবে পরিচিত। সুতরাং কেউ যদি আমাদের ছোট করে দেখে, তাহলে আমাদের কষ্ট পাওয়া ছাড়া আর কিছুই করার নেই।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, করোনা ভাইরাসের ‘জেনোম সিকোয়েন্স’ ভিন্ন রকমের, আপনাদের ভ্যাকসিন কি সব জিনোম সিকোয়েন্সের ক্ষেত্রে সঠিককভাবে কাজ করবে?

ড. আসিফ মাহমুদ: আপনি একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন করেছেন। এ জন্য আপনাকে ধন্যবাদ। এটার উত্তরে আমি বলতে চাই, আমরা কিন্তু পুরো ভাইরাসকে ভ্যাকসিনের টার্গেট হিসেবে গ্রহণ করিনি। টার্গেট হিসেবে আমরা করোনা ভাইরাসের একটি পোর্শন নিয়েছি। কোন পোর্শন নেব, সেটার জন্য আমাদের কিছু বায়োইনফরমেটিক্স সফটওয়্যার ব্যবহার করতে হয়েছে। আমরা যেটা করেছি, যখন টার্গেট সিলেক্ট করি, তখন ডাটাবেজে যতগুলো সিকোয়েন্স সাবমিটেড হয়েছিল, এরমধ্যে বাংলাদেশের সিকোয়েন্সও ছিল, সবগুলো সিকোয়েন্স এনালাইসিস করেই আমরা টার্গেট করি। প্রতিনিয়ত যত নতুন নতুন সিকোয়েন্স আসছে, সেগুলোকেও আমরা কনসিডার করছি। আমরা যে টার্গেট সেট করেছি, সেটা কতটা অ্যাপ্রোপ্রিয়েট হলো, সেটাও দেখছি। ওই টার্গেটের মাঝখানে কোনো মিউটেশন হলো কি-না, সেটাও দেখছি। এসব আবার আমাদের ভ্যাকসিনের ক্ষেত্রে অ্যান্টিবডি তৈরিতে কোনো ধরনের বাধা দেবে কি-না, সেটাও খেয়াল রাখছি। এরপরেও ভ্যাকসিন প্রতিনিয়ত আপডেট করার সুযোগ রয়েছে।

আপনাদের ভ্যাকসিন সফল হলে বাজারে আসতে প্রায় কতদিন লাগতে পারে?

ড. আসিফ মাহমুদ: আমরা আপাতত ছয় থেকে আট সপ্তাহ সময় নিচ্ছি আমাদের রেগুলেটেড এনিমেল ট্রায়াল করতে। এরপর আমরা ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের প্রটোকল বিএমআরসিতে (বাংলাদেশ চিকিৎসা গবেষণা পরিষদ) জমা দেব। বিএমআরসির অথোরাইজেশন বোর্ড আমাদের অনুমতি দিলে সিআরও দিয়ে ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালে যাব। এরপর আমরা মার্কেট অথোরাইজেশনের জন্য ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের কাছে যাব। এখানে কিছু বিষয় আছে, যেগুলো আমাদের হাতের নাগালে নেই। যেহেতু এই ভ্যাকসিনটা আমাদের দেশে প্রথম আবিষ্কৃত হয়েছে, সেহেতু এটা সবার জন্যই নতুন একটি অভিজ্ঞতা। এখানে পদে পদে যেসব প্রতিবন্ধকতা আসবে, সেগুলো আমরা যদি একে একে সমাধান করতে পারি, তাহলে আমি আশা করছি আগামী ডিসেম্বরের মধ্যেই করোনা ভাইরাসের এই ভ্যাকসিন আমরা বাজারে আনতে পারব।

ব্যস্ততার মধ্যে সময় দেওয়া জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।

ড. আসিফ মাহমুদ: আপনাদেরও ধন্যবাদ।

দৈনিক বান্দরবান
দৈনিক বান্দরবান